শিরোনাম :
নরসিংদীতে মদের লাইসেন্স বাতিল করে নিষিদ্ধের দাবি যুবদল নেতা মহসিন হোসেন বিদ্যুতের ন্যাম ভবনে এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার নরসিংদী সাব-রেজিস্ট্রিতে রশিদ জালিয়াতির অভিযোগ, হাসিবুল পেলেন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব চীনে রোবটই বানাচ্ছে রোবট, ১০ মিনিটে তৈরি হচ্ছে একটি হিউম্যানয়েড নরসিংদীতে ব্যবসায়ীকে আটকে রেখে টাকা আদায়ের অভিযোগ, নারীসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে এজাহার # সমুদ্রজয়ের এক যুগ পরও গভীর সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধান কেন ধীর? বিটিভির নেতৃত্বে নতুন মুখ, মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেলেন কাজী জেসিন পরিবেশ রক্ষায় বেশি বেশি বৃক্ষরোপণের আহ্বান বরকত উল্লাহর ঘোড়াশাল সারকারখানার পরিত্যক্ত লুব অয়েল বিক্রি নিয়ে বিতর্ক, পুনরায় টেন্ডারের দাবি বিএনপিতে ‘হাইব্রিড’ ঠেকাতে কঠোর বার্তা তারেক রহমানের, তৃণমূলকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৫ পূর্বাহ্ন

ঘোড়াশাল সারকারখানার পরিত্যক্ত লুব অয়েল বিক্রি নিয়ে বিতর্ক, পুনরায় টেন্ডারের দাবি

নাদিম মাহমুদ নয়ন
প্রকাশকাল : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

নরসিংদী, ২০ জুলাই: নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল সারকারখানা পিএলসি’র ব্যবহার অনুপযোগী লুব অয়েল বিক্রিকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় কয়েকজন ঠিকাদার টেন্ডার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাবের অভিযোগ তুলে পুনরায় উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বানের দাবি জানিয়েছেন। তবে কারখানা কর্তৃপক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করেই টেন্ডার ও বিক্রয় কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (১৯ জুলাই) কারখানার ভেতরে সংরক্ষিত প্রায় ৩৭ হাজার ৮০০ লিটার ব্যবহার অনুপযোগী লুব অয়েল, যা ১৮৯টি ড্রামে রাখা ছিল, গেটপাসের মাধ্যমে তিনটি ট্রাকে করে বাইরে নেওয়া হচ্ছিল। এ সময় কয়েকজন স্থানীয় ঠিকাদার আপত্তি জানালে মালামাল বাইরে নেওয়ার কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। পরে তেলগুলো পুনরায় কারখানার অভ্যন্তরে নিরাপদ স্থানে সংরক্ষণ করা হয়।

কারখানা সূত্রে জানা গেছে, ব্যবহার অনুপযোগী লুব অয়েল বিক্রির জন্য গঠিত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে প্রায় দুই মাস আগে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। ওই টেন্ডারে ঢাকার মিন ওয়েলস লিমিটেড কার্যাদেশ লাভ করে।

এদিকে স্থানীয় ঠিকাদার মো. আমজাদ হোসেন শামীম (স্বত্বাধিকারী, মেসার্স বিজনেস ইন্টারন্যাশনাল), আবু ছাইদ (স্বত্বাধিকারী, মেসার্স ওসমান অ্যান্ড ব্রাদার্স ও মেসার্স ব্রাদার্স কোং) এবং মো. হাসিবুর রহমান (স্বত্বাধিকারী, মেসার্স ফাইভ স্টার এন্টারপ্রাইজ) অভিযোগ করেন, টেন্ডার প্রক্রিয়াটি পর্যাপ্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন হয়নি। তাদের দাবি, সকল আগ্রহী ও যোগ্য ঠিকাদার সমানভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পাননি।

তাদের মতে, সরকারি ক্রয়বিধি অনুযায়ী ইলেকট্রনিক সরকারি ক্রয় ব্যবস্থা (ই-জিপি) অথবা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পুনরায় দরপত্র আহ্বান করা উচিত। এতে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত হবে এবং সরকারও সর্বোচ্চ মূল্য পাওয়ার সুযোগ পাবে।

অন্যদিকে, ঘোড়াশাল সারকারখানা পিএলসি’র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, টেন্ডার প্রক্রিয়া এবং বিক্রয় কার্যক্রম সরকারি বিধি-বিধান অনুসারেই সম্পন্ন হয়েছে। তাদের ভাষ্য, নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করেই কার্যাদেশ প্রদান এবং মালামাল হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ঠিকাদারদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন এবং ভবিষ্যতে সরকারি সম্পদ বিক্রয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত বা তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী অগ্রগতি হলে তা জানানো হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category